তোরা মানুষ হ
বৈষম্যহীন সমাজের ধারণা ইউটোপিয়ান তা বুঝি I ধনী গরিব/শ্রমজীবী মানুষের ব্যাবধান কিছুটা কমে, কিছুটা সামাজিক ন্যায়বিচার ভিত্তিক, সামাজিক কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের কামনা হয়তো বিরাট কিছু নয় I এর ব্যার্থতায় তথাকথিত এলিট শ্রেণীর অংশ হিসেবে আমিও লজ্জিত I
খবরে দেখেছি বিশ্বে ধনিক শ্রেণী সংখ্যাতত্ত্বে বাংলাদেশ অন্যতম শীর্ষে I দেশে বিদেশে অনেকেই সম্পদের পাহাড় গড়েছেন I অনেকেই সল্পতম সময়ে আলাউদ্দিনের চেরাগ পেয়ে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন I যারা আরো উচ্চমার্গে চলেন, তারা ব্যাঙ্ক ঋণ খেলাফী হয়ে মালয়েশিয়া এবং পশ্চিমা দেশগুলোতে অকল্পনীয় আরাম আয়েশে রাজকীয় জীবন যাপন করছেন I আরো আছেন যারা দেশের অর্থে পড়াশুনা করে, দেশে নিজের দায়বদ্ধতা পরিশোধ না করে, বিদেশে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে, সম্পদ গড়ে দেশের মুণ্ডপাত করছেন I
যাই হোক এখন বাংলাদেশে কিছু দান খয়রাত করুন I
কেউ কেউ নিজের অতীত, পূর্বপুরুষের কথা স্মরণ করুন I রাস্তার পাশে, ধানের খেতে, ফ্যাক্টরিতে ঘাম ঝরানো মানুষটির কথা চিন্তা করুন; বাবা/দাদা বয়সী রিক্সাওয়ালা, আপনার পিয়ন কেমন আছে ভাবুন; মাদ্রাসায় যাওয়া এতিম ছেলেটির কথা ভাবুন; ছোট বাচ্চারা কষ্ট করে স্কুলে যাওয়ার সপ্ন দেখছে তাদের কথা ভাবুন; বাসে বাদুড় ঝোলা হয়ে টিউশনি করে প্রতিনিয়ত নিজের ইজ্জত পাহারা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালযে পড়ুয়া তরুণীর কথা ভাবুন; সৌদি আরবে নির্যাতিত গৃহকর্মীর কান্নার আওয়াজ শুনার চেষ্টা করুন I
আসুন আমরা ইনসানিয়াত ধারণ করে জৈবিক মানুষ থেকে ইনসানে উন্নীত হই I
Related Articles
নীল ছাতা
বৃষ্টি হচ্ছে। নীতু দাঁড়িয়ে আছে নীল ছাতার নিচে। ছোট ছাতা। এই ছাতায় দু’জন একসাথে ধরে না। শুভ তাই নীতুর মাথায়
প্রেক্ষাপটঃ “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস স্মৃতিসৌধ” এবং “একুশে’র বিশ্বায়ন” (তৃতীয় পর্ব)
এসফিল্ড হ্যারিটেজ পার্কে “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস স্মৃতিসৌধ” নির্মাণের প্রস্তাবিত নির্ধারিত স্থান থেকে প্রায় একশ’ মিটারের মধ্যে মাতৃভাষা সংরক্ষণ বিষয়ক ব্যতিক্রমী


